John Smith retweeted
🔥🔥🔥
বিএনপিপন্থী খতিব আব্দুল মালেক, মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীরা শাসকের প্রতি অনুগত থাকার কারণে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের ব্যাপারে চুপ থাকলেও শায়খ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ ইংরেজদের দালাল, ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মূল আইকন রঠা জমিদারের বিরুদ্ধে এমন শক্তিশালী অবস্থান নেওয়ায় তাঁকে মোবারকবাদ।
John Smith retweeted
Thank You Great Leader Muhammad Ali Jinnah
Thanks for Pakistan Project
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ??
=================================================================
পাকিস্তান;
কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ;
নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে।
একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন??
পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান।
হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের।
এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে।
ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়।
হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি।
তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন।
ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা।
যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো।
এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়।
রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা।
তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে।
এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ।
অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট।
এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই।
আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল।
তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে।
এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে।
এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ।
ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট।
একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়।
মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
John Smith retweeted
Aliyev's regime finds a Jewish minority more entitled to freedom than a Muslim majority.
Free Azerbaijan!
John Smith retweeted
"তারেক রহমান আর এই সরকার চালাচ্ছেন না বিএনপি সরকার হাইজ্যাক হয়ে গেছে"
-হাসনাত আব্দুল্লাহ, এমপি
John Smith retweeted
Tepkiler çığ gibi büyüyor!
Azerbaycan’da halk, başörtüörtü yasağına karşı “Hicab bizim namusumuzdur” sloganlarıyla eylemler düzenliyor.
John Smith retweeted
রাতে ঘুমানোর আগে ব্যাপক বিনোদন। শোন, তোরা তোদের নোটিগিরি তারেক রহমান এবং মির্জা ফখরুল এর সামনে দেখা। উনারা খুশি হয়ে তোদেরকে টাকা ছুড়বে। দুজনেই রঠা পূজারী। বিএনপির ঘাড়ে লীগের ভূত চেপেছে। দেরি করিস না। জলদি উনাদের সামনে নোটিগিরি শুরু কর।
John Smith retweeted
নিষিদ্ধ লীগের বৈধতা দানকারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের উত্তরার বাসায় হা*মলা। পলাতক মেখ হাসিনার সাথে ফোনে যোগাযোগ করেছে, এমন অভিযোগ তুলেছে উপস্থিত জনতা।
#Dhaka #bangladesh #SheikhHasina #awamileague
John Smith retweeted
কান্নায় ভেঙে পড়লেন আয়াসের সঙ্গে গ্রে'ফ'তার হওয়া জুলাই যো'দ্ধা সুজনের বাবা-মা | Sujan | July Warrior | Jugantor
John Smith retweeted
কথা হাচা,,লজ্জা থাকলে এস আলমের গাড়িতে যেদিন দেখা গেছে এর পরের দিন থেকে এই হালারে দেখা যাওয়ার কথা ছিল না
John Smith retweeted
🚨⚠️📢
রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগিনি আবাসন প্রকল্পে হামলা চালাতে এক কোটি টাকা দিয়ে ‘সন্ত্রাসী বাহিনী’ ভাড়া করা হয়। ভাষানটেক থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম টাকার বিনিময়ে লোক পাঠিয়ে প্রকল্পে হামলা করেন।
হামলায় পল্লবী থানার ৯১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির তৎকালীন সভাপতি মফিজুর রহমান মামুন বাহিনীর লোকজনকেও যুক্ত করা হয়। খুন, জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে সম্প্রতি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
এই হামলা মামলায় গ্রেপ্তার শাহরিয়ার মাহমুদ ও বিকাশ চন্দ্র সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তাঁরা বলছেন, ঘটনার দিন দুপুরে ১৩ জন মিলে ইসিবি চত্বরের একটি খাবারের দোকানে বসে হামলার পরিকল্পনা করেন। সেখানে শাহরিয়ার ও বিকাশ উপস্থিত ছিলেন।
John Smith retweeted
BREAKING:
Canada is preparing for a (long shot) US invasion, according to the BBC.
John Smith retweeted
বিএনপি কি আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র খুলছে? 😂
যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এত বছর আন্দোলন হয়েছে, জুলাইয়ে মানুষ জীবন দিয়েছে, এখন সেই দলের পদধারী নেতাকে বিএনপির মুক্তিযোদ্ধা দলের বিভাগীয় প্রধান করা হচ্ছে! রাজনৈতিক ইউটার্ন তো একেই বলে।
অতীতের ভূমিকা যাচাই না করে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো শুধু হাস্যকর নয়, ঝুঁকিপূর্ণও। এতে পুরোনো রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক নতুন পরিচয়ে আবার শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাবে।
জুলাইয়ের পর মানুষ শুধু সরকার বদল নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনও চেয়েছে। আওয়ামী লীগের বিকল্প হতে গিয়ে আওয়ামী লীগের লোকজনকেই পুরস্কৃত করলে বিএনপির সঙ্গে তাদের পার্থক্য কোথায় থাকবে?
ক্ষমতা পাওয়া আর জনগণের আস্থা ধরে রাখা এক বিষয় নয়। #My_BNP🌾 কি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে, নাকি পুরোনো রাজনীতিকে নতুন মোড়কে ফিরিয়ে আনবে সিদ্ধান্ত এখন তাদের।






























