A Muslim Nationalist ☪️ | Geopolitics | Power Structures | Political Economy | Truth Analyst 🌍 Do not be Angry with me if I tell you the TRUTH

World Wide Web (WWW)
Joined March 2010
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ?? ================================================================= পাকিস্তান; কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ; নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে। একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন?? পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান। হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের। এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে। ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়। হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি। তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন। ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা। যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো। এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়। রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা। তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে। এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট। এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই। আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে। এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে। এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ। ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট। একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়। মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
🤖 Made with AI
7
7
1
37
53,844
ইশরাক কে পদত্যাগের খবরে অনেক খুশি হলেও, এইটা একটা বিপদজনক ও অশনি সংকেত বাংলাদেশের জন্য। যারা বুঝছেন না, তাদের বুঝিয়ে বলি; ইশরাক বাংলাদেশ পন্থি একজন ইয়াং জাতীয়তাবাদী নেতা, এতে কোন সন্দেহ নেই। হয়ত সে ইয়াং বলে কিছু ভুল করবে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন ইশরাকের এই ভূল টা করার পর ডিজিএফআইয়ের ঘেটু জুলকারনাইন সায়ের ৩ টা পোস্ট করেছে, মানে সে খুব সিরিয়াস এই বিষয়টি নিয়ে; এইটা প্রমাণ করে যে এই পদত্যাগের পেছনে ডিজিএফআই সরাসরি প্রধানমন্ত্রী কে নির্দেশ দিছে আর প্রধানমন্ত্রী তা বাস্তবায়ন করেছে। এর ফলে একজন জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকে ক্ষতিগ্রস্থ করা গেলো সহজে। যা প্রমাণ করে যে এই দেশ এখন পুরোপুরিভাবে ডিজিএফআই বা আরো পরিস্কারভাবে বললে ইন্ডিয়ার কন্ট্রোলে পরিচালিত হচ্ছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যে অনেক খারাপ অবস্থা রয়েছে সামনে।
3
1
11
434
দূর্গা পূজা দেওবন্দ ধর্মের পূজারীদেরও উৎসব, তাদের কেবলা ত দিল্লি নিয়ন্ত্রিত দেওবন্দে! তাই চুপ।
1
3
113
ইতিহাস খুঁড়তে গেলে ইন্ট্রেস্টিং অনেক তথ্য পাওয়া যায়। দার্জিলিং পাঁচ দিনের জন্য "ইস্ট পাকিস্তান" তথা বর্তমান বাংলাদেশের অংশ হিসেবেই কাউন্ট করা হয়েছিলো। ছবিটা দেখতে পারেন; পাকিস্তানের পতাকা উড়ছে।
3
4
135
"সালাউদ্দিন আহমেদের পরনে লুঙ্গি থাকবে না" - স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে হাসানাত আবদুল্লাহ, এমপি। #BreakingNews
3
15
2
91
1,308
মিশনঃ আপা আসবেই 🥸 ২৫ হাজার ২০০ কোটি টাকা কর ফাঁকির অভিযোগে আলোচিত আওয়ামী লীগ-ঘনিষ্ঠ দিলীপ আগরওয়ালকে দেখা গেল বিএনপি সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে! বিএনপির মিডিয়া সেল ২০২৪ সালেই যাকে নিয়ে রিপোর্ট করেছিল, সেই দিলীপ আগরওয়াল এখন বিএনপির বলয়ে কীভাবে? আওয়ামী লীগের আমলে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে, তিনি যদি এখন বিএনপিতে আশ্রয় পান, তাহলে পরিবর্তনটা আসলে কোথায়?
1
4
16
440
বিটিভির সদর দপ্তরে ডিজির পাশের রুমে রেজাউল করিম রনিকে একটা রুম দেয়া হইসে। জিনিসটা আবার গোপনও রাখা হইসে। আশা করি কাজী জেসিন আর রেজাউল করিম রনি একসাথে বিটিভিতে ভালোই আছেন। কিন্তু এমন লুকোচুরি কেন? জবাবদিহিতার স্বার্থে উন্মুক্ত করা উচিত।
2
2
25
600
আলহামদুলিল্লাহ ❤️
1
2
7
229
পূজা উপলক্ষে যাদবপুরে বামপন্থীদের বুকস্টল ভাঙতে বিজেপি বুলডোজার এনেছে। এপারের বামদের মুখে কোন কথা শুনছি না। মূলত এপারের বাম মানে ওপারের বিজেপি।
2
13
238
হিন্দুদের দাসত্ব মেনে নিয়ে এদেশ কেউ সুন্দর করে গড়ে তোলার চেষ্টা করে নাই; শুধুমাত্র লুটপাটের ক্ষেত্র; এবং এটাই চায় ইন্ডিয়া। হাজার বছরের দূর্ভাগা লোয়ার আই-কিউ সম্পন্ন মুসলিম বাংগলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী।
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ?? ================================================================= পাকিস্তান; কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ; নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে। একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন?? পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান। হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের। এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে। ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়। হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি। তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন। ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা। যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো। এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়। রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা। তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে। এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট। এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই। আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে। এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে। এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ। ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট। একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়। মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
3
1
10
261
কেরোসিন আলেম ; গোয়েন্দাদের ঘেটু হাইব্রিড বাংগু মুসলিমদের ঘেটু বানানো অনেক সহজ
2
3
1
20
552
"১৭৫৭ : পলাশীতে মুসলিমদের পরাজয় ও দুর্গাপূজার সামাজিক উৎসবের উত্থান" ১৭৫৭ সালের আগে দুর্গাপূজা এখনকার যত সামাজিক উৎসব ছিল না [১]। দুর্গাপূজার উদযাপন সীমাবদ্ধ থাকতো জমিদার বাড়ির ভেতরে ও পারিবারিক ধর্মীয় আচার [১]। আবার শারদীয় দুর্গাপূজা নয়, বসন্তকালের দুর্গাপূজা ছিল বাঙলার সনাতন ধর্মাবলম্বীগণের প্রচলিত আদি দুর্গাপূজা। শরৎকালের পূজার প্রচলন তেমন ছিল না। তাহলে, দুর্গাপূজা সামাজিক উৎসব হল কিভাবে এবং বসন্ত কালের প্রচলিত পূজার পরিবর্তে শারদীয় পূজা জনপ্রিয় হল কিভাবে? পলাশীর বিশ্বাসঘাতকদের সঙ্গে ইংরেজদের যোগাযোগ রক্ষা করা এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের কাজ করতো দোভাষী নবকৃষ্ণ দেব। পলাশীতে নবাব সিরাজুদ্দৌলার পরাজয়ের পর রবার্ট ক্লাইভ দেখলো শহরটা কেমন যেন প্রাণহীন। কিন্তু ইংরেজরা চাচ্ছিল স্থানীয়রা একটা বিজয়োৎসব করুক [৩]। তাই, ক্লাইভ নবকৃষ্ণ দেবকে পলাশীর যুদ্ধ জয় উপলক্ষে কলকাতায় একটি বিজয় উৎসবের আয়োজন করতে বলে [৪]। নবকৃষ্ণ ততদিনে গুপ্তচরবৃত্তির পুরষ্কার পেয়েছে। পেয়েছে রাজা উপাধি, পেয়েছে নবাব সিরাজউদ্দৌলার রাজ কোষাগারের ভাগ। রাতারাতি কলকাতার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে। [১] চতুর নবকৃষ্ণ রবার্ট ক্লাইভকে খুশি করতে প্রচলিত বসন্ত দুর্গাপূজা থেকে সরে এসে শরৎকালে আয়োজন করলো এক জমকালো শারদীয় দুর্গাপূজা [৪]। রবার্ট ক্লাইভসহ বড় বড় কোম্পানির অফিসাররা নিযন্ত্রণ পেলো। কোম্পানির অফিসারদের জন্য লখনউ, দিল্লি, বারাণসী থেকে বাইজী আনা হলো। যদের আয়োজন করা হলো, সঙ্গে গরু ও শূকরের মাংস [৩,৫]। এই পূজা কোম্পানির পূজা নামে পরিচিতি পায়। এরপর থেকে যারাই ইংরেজদের সঙ্গে ব্যবসা করে বিত্তশালী হয়ে উঠছিল, তারা এই শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন করতো এবং ইংরেজ অফিসারদের দাওয়াত দিতো- যদের সঙ্গে থাকতো হোটেল উইলসন থেকে আনা গরু ও শূকরের মাংস [৫]। শারদীয় দুর্গা পূজা হয়ে গেল বিত্তশালীদের ক্ষমতা ও রাজনীতির প্রতীক। সাধারণ মানুষ এই দুর্গোৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারতো না বলে হুগলির গুপ্তিপাড়ার বারোজন তরুণ বন্ধু (ইয়ার) সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদা তুলে শারদীয় দুর্গা পূজাকে সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে চালু হয় বারোয়ারী দুর্গা পূজা, যা পরবর্তীতে সার্বজনীন দুর্গাপূজা হিসেবে পরিচিত পায়। সার্বজনীন যানে ধনী-গরীব সবার জন্য। এভাবেই পলাশীতে ইংরেজদের বিজয় উদযাপন পালন করতে যেয়ে দুর্গাপূজা পারিবারিক আচার থেকে হয়ে উঠে সামাজিক উৎসব। 📌📌📌 [১] Documenting the rich history of Durga Puja, The Hindu [২] inscript.me/basanti-is-actua… [৩] sangbadpratidin.in/religion/… [8] jiyobangla.com/bn/news/this-… [৫] Jaya Chaliha and Bunny Gupta, Durga Puja in Calcutta in Calcutta The Living City Vol II, edited by Sukanta Chaudhuri, Oxford University Press, first published 1990, paperback edition 2005, pp 332-333
3
8
155
দূর্গা পূজার সময় বাঙলাদেশের মুসলমানদের জন্য জরুরী কয়েকটি কথা: ১। ❝ আর আল্লাহকে বাদ দিয়ে তারা যাদের ডাকে, তোমরা তাদের গালি দিয়ো না। তাহলে তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দিয়ে বসবে। — সূরা আন-আম: ১০৮ ২। ❝ হে মুমিনগণ নিশ্চয়ই মদ, জুয়া, মূর্তি পূজার বেদি, ভাগ্য নির্ণয়ক শর এগুলো সব শয়তানের কাজ। এগুলো থেকে দূরে থাকো যদি সফল হতে চাও। — সূরা মায়িদা: ৯০ ৩। ❝ তোমরা মুশরিকদের উপাসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করো না। কারণ সেই সময় তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হতে থাকে। — হযরত ওমর রা.
হিন্দুদের বিরোধীতা করতে জকসু গরু খাচ্ছে! এখন মুসলমানদের বিরোধীতা করতে ছাত্রদল কয়েকটা শুকোর জবেহ করতে পারে।
1
8
150
সব দেশ মানে কিন্তু একটা দেশ; বলতে হবে কোন সে দেশ??
1
15
308
Don’t think Japan is a good ally for Bangladesh. The Japan - India nexus is working together to turn Bangladesh into a subordinate vassal state of India
জাপান কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এখন বুঝছেন তো??
5
35
821
বিকাশ চন্দ্র নুরু, দ্বিতীয় বাংগু-বল্টু -- বিকাশ চন্দ্রের পিতা।
1
18
292
জাপান কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে এখন বুঝছেন তো??
8
2
3
26
1,810
কথাটি সত্য; একারণে আগে থেকেই দেখে আসছি যে সেনাবাহিনীতে কর্মরত সৈনিক বা কর্মকর্তা রা এমনকি ক্যাডেট কলেজে পড়ুয়া রা রাজনৈতিক ভাবে অনেক মূর্খ হয়; ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত ধরে বেধে বড় করার কারনে আর সেনাবাহিনীতে কঠোর নিয়মতান্ত্রিকতার কারনে কি চিন্তার জড়তা তৈরি হয়?? বনসাই করা বৃক্ষের মত??
কেন আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট কে ধারণ করি অর্থাৎ পাকিস্তানপন্থী ?? ================================================================= পাকিস্তান; কিংবা পাকিস্তান প্রজেক্ট ; নামটি দেশ হিসেবে যতটা না গুরুত্বপূর্ণ তার থেকে শতগুণ বেশি গুরুত্বপূর্ণ একটি মতবাদ হিসেবে। একারনেই আমি পাকিস্তান বলার চেয়ে পাকিস্তান প্রজেক্ট বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আপনি কি বাংলাদেশ এর অবস্থান মানচিত্রে খেয়াল করেছেন?? পশ্চিম প্রান্তের ভূমধ্যসাগর এর পাড় থেকে যে ইসলামের জয়যাত্রা শুরু হয়েছিলো পূর্বপ্রান্তে তার সর্বশেষ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশ, আসাম ও আরাকান। হাজার হাজার বছর আগে ইন্দুস নদীর তীরে যে ইন্দু সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো, সেখানে ইসলামের ছোয়ায় বদলে যাওয়া পূর্ব প্রান্তের মানুষগুলোর সর্বশেষ অবস্থান আমাদের। এবং সেই ভূমিপুত্র হিসেবে মুসলিমদের রাজনৈতিক পদযাত্রার যে ধারাবাহিকতা বা সিলসিলা তার সমাপ্তি ঘটে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাংলার পতনের মধ্যে দিয়ে। ঠিক সেই ১৭৫৭ সাল বা তার আশেপাশের বিভিন্ন বছর থেকেই মূলত মুসলিম রা তাদের সাথে প্রতারণার বহিঃপ্রকাশ দেখতে পায়। হাজার হাজার বছর ধরে ইন্দুজ সভ্যতার মানুষ যে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিরা ছিল, তাদের মাঝেই অনেকে সত্য ধর্ম ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে সত্যান্বেষণ করতে গিয়ে ইসলামকে আলিঙ্গন করে। কিন্তু ইন্দুজ সভ্যতার অগ্নি উপাসক এবং ইসলাম কে আলিঙ্গন করা সকলেই পাশাপাশি থেকেছে আপন ভাইয়ের মত, কখনো মুসলিমরা কোন অগ্নি উপাসকের উপর ধর্ম পরিবর্তনের জন্য বল প্রয়োগ করেনি। তবে যখন কোন এলাকার মজলুম দূর্বল মুসলিমরা নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তখন অন্য শক্তিশালী কোন মুসলিম শাসক হয়ত তাদের সাহায্যের জন্য অথবা মুসলিম শাসকরা তাদের রাজ্য সম্প্রসারণে যুদ্ধ করেছে; কিন্তু কখনো ধর্মান্তরিত করতে বলপ্রয়োগ করেনি, বরং যুদ্ধের পরেই সহবস্থানে থেকেছে, এমনকি অনেক মুসলিম শাসক নিজেই অগ্নি উপাসনা করেছে বা মুসলিম ধর্মের চেয়ে অন্য ধর্মের প্রতি বেশি উৎসাহী ছিল; সম্রাট আকবর তো নিজেই একটা নতুন ধর্মের প্রচলন করে ফেলেছিলেন। ধারণা করি শাসন ক্ষমতায় থেকে এইসকল অগ্নি উপাসকদের সাথে সহবস্থানের ফলে তারা মুসলিম মাইন্ড কে সাংঘাতিকভাবে ক্রপট বা দূষিত করে ফেলে। যতধরনের প্রতারণা, শঠতা, ধূর্ততা, বেঈমানী সকল বৈশিষ্ঠ্যগুলো পর্যায়ক্রমে মুসলিমদের সৎ গুনাবলীর মাঝে সঞ্চারিত হতে থাকে। অন্যদিকে মুসলিমদের রাজনৈতিক ক্ষমতাকে নষ্ঠ করতে গোপনে ষড়যন্ত্র করতে থাকে এই সকল অগ্নি উপাসক ও অন্যান্য মূর্তি পূজারিরা। যার মোক্ষম বেঈমানীর সুযোগটি আসে ইংরেজদের সাথে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে মুঘল সম্রাজ্যের বাংলার নবাব সিরাজ-উদ্দ-দৌলার পতনের মধ্য দিয়ে অথচ নবাব অনেক অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিকে তার দরবারে মন্ত্রী হিসেবে রেখেছিলো। এখানে লক্ষ্যনীয় ও চিন্তার খোরাক হচ্ছে ইরেংজ রা কিন্তু এই বাংলা দিয়েই মুঘল সম্রাজ্যের পতনের শুরুটা করেছিলো তারপরে পর্যায়ক্রমে পুরো ইন্দু সভ্যতার অঞ্চলকে গ্রাস করে। অর্থাৎ এই ঘটনার মাধ্যমে একটি বিষয় প্রকাশ পায় যে, আমরা বাংলার মুসলিম সমাজ আমরা অনেক আগে থেকেই সহজ-সরল বোকা টাইপ ছিলাম যাদের আইকিউ পূর্বপুরুষের আমল থেকেই অনেক নিম্নমানের; আর এই সুযোগ টাই গ্রহণ করে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পুজারিরা মুসলিমদের এক্সপ্লয়েট করতে সক্ষম হয়। রাতারাতি সমৃদ্ধশালী মুসলিমদের ভূমির মালিকানা কেড়ে নিয়ে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অগ্নি উপাসক ও মূর্তি পূজারিদের জমিদার করে দেওয়া হয়। রাতারাতি মুসলিমরা হয়ে যায় রাস্তার ফকির বা অন্যের জমির দাস বা কামলা। তারপর ২০০ বছরের অনেক আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা যখন আমাদের অধিকার ফিরে পাবার চেষ্টা করে গেছি, আমাদের মুসলিমদের পদে পদে বাধাগ্রস্থ করেছে এসব মূর্তি পুজারিরা। এমনকি শেষ পর্যায়ে এসে বঙ্গভঙ্গ র মাধ্যম দিয়ে মুসলিমদের ভাগ্য পরিবর্তনের সুযোগটাও নষ্ট করে দেয়; কারন এই বঙ্গভঙ্গ যদি কার্যকর থাকতো তাহলে ১৯৪৭ সালের মুসলিম বাঙ্গালি রা অনেক বড় মানচিত্রের একটি স্বাধীন দেশ পেতো বৃটিশ রা চলে গেলে। মূর্তি পূজারিরা সেটা হতে দেয় নাই; এমনকি বঙ্গভঙ্গ বাতিল করার বিনিময়ে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ছিল সেটাও বাঁধা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে গেছে এবং সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা পিছিয়ে দিয়েছে। এভাবেই একেরপর এক মুসলিম বাঙ্গালিরা প্রতারণার শামিল হয়েছে প্রত্যহ। অনেক আন্দোলন-সংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাতের পর অবশেষে আসে মুসলিম বাঙ্গালির সেই মাহেন্দ্রক্ষণ - পাকিস্তান প্রজেক্ট। এই পৃথিবী তে যতগুলো দেশের ভূখন্ড তৈরি হয়েছে মূলত সেসব দেশ তৈরি হয়েছে সেখানে বসবাসকৃত জাতির নামের সাথে মিল রেখে। শুধুমাত্র পাকিস্তান প্রজেক্ট ও অন্যান্য কয়েকটি দেশ তৈরি হয়েছে যেখানে কোন জাতিসত্তার সাথে মিল নেই। আপনি ১৯৪০ সালের আগে গেলে পাকিস্তান নামে কোন রাষ্ট্র তো দূরে থাক, এই সম্পর্কিত কোন সামান্য ইতিহাসও পাবেন না। এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্নদ্রষ্টা প্রখ্যাত মুসলিম দার্শনিক ও কবি আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। তাঁর স্বপ্নের পাকিস্তান প্রজেক্ট ছিল মূলত এই ইন্দু সভ্যাতার ভূমিপুত্র মুসলিমদের নিরাপত্তা বিধান করা। দার্শনিক হিসেবে অনেক দূরদৃষ্টি সম্পন্ন আল্লামা ইকবাল এই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর স্বপ্ন দেখেছিলেন; যার রাজনৈতিক বাস্তবতা দিয়ে গেছেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং সেই পাকিস্তান প্রজেক্ট এর সাথে বাংলার মুসলিমদের যুক্ত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন ডাইরেক্ট একশন ডে এর রূপকার হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। আমাদের পূর্বপুরুষদের লাখ লাখ মানুষ তাদের রক্ত দিয়ে, দুঃখ-কষ্টের মাধ্যমে, তাদের জীবনের সকল কিছু দিয়ে এই জমিনে মুসলিমদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করে গেছে; অথচ ক্ষমতাসীন গুটিকয়েক মুসলিম নামধারী মূলত মূর্তি পূজারির বেঈমানীর ফলে এই জমিনের মুসলিম বাঙ্গালিদের বার বার প্রতারিত হতে হয়েছে। এই প্রতারণা প্রথমদিকে আঞ্চলিকভাবে অর্থাৎ অঞ্চলভেদে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে বাস্তবায়িত হলেও মুঘল সম্রাজ্যের পতনের পর যে পুরো ইন্দুজ সভ্যতা থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করার প্রক্রিয়া ছিল সেটা অনেক পরে এসে মুসলিম জাতি বুঝতে পারে। এছাড়া, আপনি যদি পৃথিবীর মানচিত্রের দিকে আবার দৃষ্টি ফেরান; দেখবেন একই ধর্মের মানুষের দেশগুলো পাশাপাশি অবস্থিত; যেমন ইউরোপের সকল দেশ হচ্ছে খ্রিশ্চিয়ান প্রধান; আবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো ইসলাম প্রধান এবং ইস্ট এশিয়ার দেশগুলো বৌদ্ধ প্রধান। অথচ বাংলাদেশের অবস্থান এমন যে দেশটির পাশে আর কোন মুসলিম রাষ্ট্র নেই; যেন অসীম সমুদ্রে এক টুকরো দ্বীপ। ঠিক এই অবস্থান থেকেই মুসলিম জাতির হারানো গৌরব, ইতিহাস ও রাজনৈতিক অবস্থান ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয় আল্লামা ইকবালের পাকিস্তান প্রজেক্ট; হিন্দুত্ববাদীদের কবল থেকে মুসলিমদের রক্ষার প্রজেক্ট। একারণে পাকিস্তান শব্দটা যতটা না একটি দেশ কে রিপ্রেজেন্ট করে তার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে একটি মতবাদ হিসেবে। হয়ত দার্শনিক আল্লামা ইকবাল বুঝেছিলেন যে এই অসভ্য উগ্র মূর্তি পূজারিদের সাথে সহাবস্থানের মাধ্যমে ভবিষ্যতে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে, একারনে মুসলিমদেরকে একসাথে নিয়ে আলাদা দেশ গড়ে তাদের রক্ষা করাটা গুরুত্বপূর্ণ হবে। হয়ত তিনি বুঝেছিলেন যে স্বাধীন পাকিস্তান প্রজেক্ট এর মাধ্যমে হয়ত পুরো ইন্দুজ সভ্যতার এই অঞ্চলকে সহাবস্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায়িত হয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব না হলেও অন্ততপক্ষে মুসলিমদের একটা সম্মানজনক অবস্থান ও নাগরিক অধিকার গুলো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একজন দার্শনিক ও কবি হিসেবে তিনি সেই ১৯০০ সাল পরবর্তীতে যে দূরদৃষ্টি সম্পন্ন প্রকল্পের কথা বলে গিয়েছিলেন, যে প্রকল্প পরবর্তীতে রাজনৈতিকভাবে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কন্টিনিউ করে গেছিলেন সেটা যে কতটা বাস্তবসম্মত তা আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে ইন্ডিয়ার দিকে তাকালে খুব সহজেই বোঝা যায়। মূলত একারণেই আমি পাকিস্তান প্রজেক্ট এর ধারক বা পাকিস্তানপন্থি; আমার কাছে পাকিস্তান একটি দেশের পরিবর্তে একটি প্রকল্প হিসেবে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা মুসলিমদেরকে স্বাধীনতার এক অমৃত সুধা উপহার দেয়।
6
241
হাফ হিন্দু হাইব্রিড বাংগু মুসলিম রা আবার দূর্গা পূজা নিজেদের মনে করে মুর্তি নিয়ে আসতে পারে বাসার ভেতর 🤭🤭 উনি বোঝাইছেন যে দূর্গ পূজো আসলে বিএনপি করবে এখন, আওয়ামিলীগ যেহেতু নেই, আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করবে। কিছুদিন আগে ছাত্রদল যেভাবে গরু জবেহের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল সেরকম আরকি।
2
2
2
16
401
হায়দ্রাবাদের আসাফ জাহি রাজবংশের সপ্তম এবং শেষ নিজাম মীর ওসমান আলী খানের জীবন ছিল রূপকথার চেয়েও অবিশ্বাস্য। ১৯৩৭ সালে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টাইম ম্যাগাজিন তাঁকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করে, যা তাঁকে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির মর্যাদায় আসীন করে। তাঁর অঢেল সম্পদের গল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ছিল ১৮৪ ক্যারেটের বিখ্যাত জ্যাকব ডায়মন্ডের ব্যবহার, যা তিনি কোনো রাজকীয় অলঙ্কার হিসেবে নয়, বরং সাধারণ কাগজের ওজন বা পেপারওয়েট হিসেবে টেবিলে ফেলে রাখতেন। ১৯৪৮ সালে হায়দ্রাবাদ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর নিজাম তাঁর জীবনের শেষ দিনগুলো কাটান কোঠি প্রাসাদে। ১৯৬৭ সালে তাঁর মৃত্যুর পর থেকেই শুরু হয় এক বিশাল ঐতিহাসিক রহস্যের। ইতিহাসবিদদের মতে, নিজামের আসল ধন-দৌলত, টন টন সোনার বার এবং বহুমূল্য জহরত মাটির নিচের গোপন কুঠুরিতে লুকিয়ে রাখা ছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ভারত সরকার তাঁর বিখ্যাত নিজাম জহরতের মাত্র একটি অংশ উদ্ধার করে রিজার্ভ ব্যাংকের ভল্টে সুরক্ষিত করতে পেরেছে। তবে লোকমুখে এখনো বিশ্বাস করা হয় যে, উদ্ধার হওয়া এই রত্নভাণ্ডার ছিল তাঁর মূল সম্পত্তির সামান্য অংশ মাত্র। আজ এত বছর পরও কোঠি প্রাসাদের সেই রহস্যময় গুপ্ত কুঠুরি এবং হারিয়ে যাওয়া বাকি সম্পদের গল্পগুলো মানুষকে সমানভাবে আকর্ষণ করে, যা এখনো ভারতের অন্যতম বড় একটি অমীমাংসিত রোমাঞ্চকর মিথ হয়ে টিকে আছে।
1
1
9
242
ভালো বলেছে; অক্ষরে অক্ষরে ধোকাবাজি 🤭
2
5
35
409