D Ghosh retweeted
They are afraid of books. They are Jamaat. They are RSS. They fear education because they are cowards.
What times are we living in!
Beaten and humiliated by orange goons, a poor Muslim toto driver had nowhere left to turn, so he brought his tears directly to the feet of Maa Durga for justice.
They want to destroy Bengal's sacred thread of unity, We must stand united against this evil force!
#DurgaPuja2026
প্রবল জনমতের চাপে ভোল বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তবে আগের মতন প্রক্রিয়া একই। স্বচ্ছতা না রেখে চুপিসারে নির্দেশ পাঠানো হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন বিএলও-দের কাছে পাঠানো নির্দেশে এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে নাম এমন ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলছে। এস আই আর হয়ে গিয়েছে এমন ১৭ টি রাজ্যে ফের..........
লিঙ্ক:
ganashakti.com/news/CEO-Maha…
D Ghosh retweeted
এইটা হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
facebook.com/share/p/1MXaRW3…
Urmila Sanwal, wife of BJP leader Suresh Rathore, has accused the BJP of protecting Dushyant Kumar Gautam in the Ankita Bhandari murder case. She has demanded narco tests on both her husband and Gautam to uncover the truth.
The government’s decision to make Gautam a Governor has sparked allegations that the position could give him six years of constitutional protection, allowing the case to drag on until the truth is buried.
#ShameBJP
এই ছবিটি বেশ ইন্টারেস্টিং। ছবিটি নাগেরবাজার এলাকার সিপিএমের প্রগতিশীল বুকস্টলের। দেখা যাচ্ছে, তিনটে ছাপড়িকাট লোম না গজানো জম্বি বুকস্টলে হামলা চালানোর মাঝে একটি বইকে ক্যামেরার সামনে তুলে ধরে দেখাচ্ছে। ছবিটি বা বলা ভালো স্টিলটি যে ভিডিওর সেটি যারা দেখেছেন তারা জানবেন, এই ছাপড়িকাট জম্বি বইটি দেখিয়ে তারস্বরে চ্যাঁচাচ্ছিল - " কি লিখা আছে ইসব বইয়ে? দেশদ্রোহী বই সব, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি? "। এবারে, বইটির কভারে যার ছবি দেখা যাচ্ছে তিনি কে? তিনি হলেন বাংলার চিরায়ত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বইটির নাম কী? বইটির নাম " পথের দাবী "। শরৎচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাসগুলির একটি। আয়রনি হলো, এগজ্যাক্টলি এই বইটিকেই আজ থেকে ঠিক একশো বছর আগে ব্রিটিশ সরকার ব্যান করেছিল রাষ্ট্রদ্রোহী বিপ্লববাদী প্রাচরণার অভিযোগে। একশো বছর পর তথাকথিত স্বাধীন দেশে ওই একই বইকে তুলে ধরে সেই একই রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে চ্যাঁচাচ্ছে কতগুলি বহিরাগত ঊনমানব। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় যাদের পূর্বসূরিরা ব্রিটিশের দালালি করত। এই ছাপড়িকাট ঊনমানবগুলি শরৎচন্দ্রকে চেনে না। হয়ত কখনও নামও শোনেনি। " পথের দাবী " কে তারা রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে পায়ে মাড়িয়েছে। :)
তবে হ্যাঁ, এতকিছুর পরও বুকস্টলটিকে জম্বিরা বন্ধ করতে পারেনি। রীতিমতন যুদ্ধ করে বুকস্টলটিকে চালু রেখেছেন এলাকার মানুষ এবং সিপিএম কর্মীরা।
✍️Rajdip Biswas Rudra
জাঙ্গীপাড়ার রাজবলহাট বুক স্টলে গতকাল রাতে কয়েকজন দুষ্কৃতী ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে আমাদের পার্টির কর্মীরা জড়ো হন। জাঙ্গীপাড়ার থানার অফিসার ইনচার্জের নজরে আনা হলে থানা থেকে কয়েকজন অফিসার তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে হাজির হন। ও সি জাঙ্গীপাড়ার সাথে কথা হয়। হাইকোর্টের নয়া নির্দেশ দেখিয়ে তদন্তের আশ্বাস দেন।
আজ সকালে রাজবলহাট দুটি অঞ্চলের কমরেডদের বিরাট উপস্থিতি আর রনংদেহী মেজাজ দেখে স্হানীয় শাসক দলের নেতৃত্ব জানান এই ঘটনার সাথে তাদের কোনও কর্মী যুক্ত নন। স্টলের বিপরীতে সি সি টিভির ফুটেজ পুলিশ সংগ্রহ করে। সেই ফুটেজ দেখে আমাদের পার্টির স্হানীয় নেতৃত্ব দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করেন। তাদের বাড়িতে যাওয়ার পর গতকাল রাতের অপরাধ স্বীকার করে নেয়। তারপর তাদেরকে দিয়ে ভাঙা স্টল মেরামত করা হয়। বিকাল থেকে পুনঃরায় বুক স্টল শুরু করা হবে। রাজবলহাটের কমরেডদের সংগ্রামী অভিনন্দন রইল।
সিতাপুর হাট ও জাঙ্গীপাড়ার বুক স্টল দুটি খোলা আছে। আগামী পরশুদিন পর্যন্ত বুক স্টল খোলা থাকবে।
বাংলার দুর্গাপূজায় এই গুটকা মাতব্বররা কারা?
@abpanandatv র সাংবাদিকও এতটাই ক্লীব যে বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে হিন্দীতে প্রশ্ন করছে!
এই গুটাকাদের পরিচয় কি? এরা পুজা কমিটির হয়ে মিথ্যা কথা বলার জন্য @KolkataPolice এদের arrest করবে?
বারাসাত নবপল্লীর ভদ্রবাড়ি মোড়ের CPI(M) বুক স্টলে বিজেপি দুষ্কৃতিদের নৃশংস আক্রমণ। ৫ জন গুরুতর আহত। শাখা সম্পাদক কমরেড তুহীন রায় ও তন্ময় দে-কে বারাসাত হসপিটালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আরো ৩ জন গুরুতর আহত। আহতদের মধ্যে আছেন ২ জন মহিলা কমরেড সাথী দাস ও মেঘলা ভট্টাচার্য। এছাড়াও তপু মিত্র সহ আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন।পুজোর আনন্দের পরিবেশ এবার বাংলা থেকে উধাও হয়েছে। রক্ত, মৃত্যুর উৎসব।
ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে আমাদের প্রশ্ন, এদের কি দুর্গা পুজোর প্রতি কোনো আবেগ আছে বলে আপনার মনে হয়। পুজোর ক'টা দিন বাঙালির আনন্দের সময়, এতো হামলা, এত রক্তপাত শাসক দলের নেতৃত্বে হচ্ছে। এরা ধর্মের কথা বলে ভোট চায়। এদের কাজের মধ্যে, কথার মধ্যে ধর্মকর্মের কোনো ছাপ দেখছেন? এরা গুন্ডামি করছে, ধর্মকে অপকর্মের জন্য ব্যবহার করছে। দুর্গাপুজোর শান্তি, আনন্দ এবার সেভাবে নেই। এতো বড় মর্মান্তিক মৃত্যু হলো চোরবাগানে। সরকার ও শাসক দলের লজ্জিত হওয়া উচিত। কিন্তু তারা যা করছে তাতে মানুষের প্রতি, নিহতদের প্রতি কোথাও একফোঁটা সহানুভূতি দেখছেন!
বইয়ের জন্য রক্তপাত, নৃশংস আক্রমণ, দেশের কোথাও কি হয়েছে! বেনজির হামলা বারাসাতে গতকাল থেকে বারবার হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি শোচনীয় খারাপ। ধিক্কার জানানোর ভাষা নেই।






























