বিজেপি যা করছে তাতে সিপিআইএমের জনসমর্থন বাড়ছে।
সুশীল বিদ্ব সমাজ বামেদের পাশে।
This quoted post is unavailable.
গতকাল মধ্যরাতে মাথাভাঙ্গা বুকস্টলে হামলা বিজেপি আশ্রিত গুন্ডা বাহিনীর।
— ড্রেনে ফেলে দেওয়া হল বিদ্যাসাগর ভগৎ সিং অন্যান্য মনীষীদের বই।
গুজিয়া ভুজিয়া বিজেপির আমলে এভাবেই ড্রেনে নর্দমায় বিদ্যাসাগর ভগৎ সিং।
২৪শে ভোট চুরি করতে ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন বদল করে মোদি সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে সরিয়ে তিন সদস্যের কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে লোকসভার বিরোধী দলনেতার মতামত গুরুত্ব পাবে না, মোদী নিজের পছন্দের ব্যক্তিকেই ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
সনাতন "হিন্দু" আর সভারকার প্রণীত ১৯২৪, এর রাজনৈতিক "হিন্দুত্ব" সম্পূর্ণ আলাদা ভিন্ন।
এই বিজেপিকে আগামীদিনে বাঙালি ছুঁড়ে ফেলে দেবে।
আপনার একটাই কথা বিজেপি জড়িত নয়, বিজেপির সাথে সম্পর্ক নেই।
সুস্থ মানুষ বিজেপি করে না।
কিছু মাতাল স্কুল না যাওয়া লোফারকে বোঝানো হয়েছে সিপিআইএম হিন্দুবিরোধী। নেতারা প্রকাশ্যে বুক ষ্টল ভাঙার নির্দেশ দিচ্ছে। বলদ কর্মীরা কিছু না বুঝেই উন্মাদের মতো বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট করছে।
২৪শে ভোট চুরি করতে ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের আইন বদল করে মোদি সরকার।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে সরিয়ে তিন সদস্যের কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সামনে লোকসভার বিরোধী দলনেতার মতামত গুরুত্ব পাবে না, মোদী নিজের পছন্দের ব্যক্তিকেই ক্ষমতায় বসিয়েছিল।
বাংলার সুশীল শিক্ষিত বিদ্বজনেরা যেভাবে বামেদের পাশে দাঁড়াচ্ছে তাতে ধন্যবাদ।🙏
■ বহরমপুরে বামেদের স্টল থেকে বই কিনে আমজনতাকে বিলিয়ে দিচ্ছেন চিকিৎসক অশোককুমার ভকত। ছবি: গৌতম প্রামাণিক।
বিজেপির সন্ত্রাস প্রকট!!!
ওরা ভেঙ্গেছে, আমরা পুনরায় গড়েছি.....
হলদিয়ার টাউনশিপ ও ক্ষুদিরামনগরের বুক স্টল ভাঙ্গার চিত্র ও পুনরায় গড়ে বুক স্টল চালু করার চিত্র।
মোদী ধর্মনিরপেক্ষতা মানে বোঝেন? ভারতের সংবিধান পড়েছেন?
ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মবিরোধীতা নয় সেইটুকু শিক্ষা-দীক্ষা কি নেই?
মোদীর নির্দেশে কি এসব হচ্ছে?
সন্তোষপুর স্টেশন সংলগ্ন মহেশতলা ১ এরিয়া কমিটির উদ্যোগে বেলতলা পার্টি অফিসের বুক স্টলে ভাঙচুর চালালো একদল দুষ্কৃতী।
ছাপড়িকাট জম্বি বইটি দেখিয়ে তারস্বরে চ্যাঁচাচ্ছিল - " কি লিখা আছে ইসব বইয়ে? দেশদ্রোহী বই সব, কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি? "। এবারে, বইটির কভারে যার ছবি দেখা যাচ্ছে তিনি কে? তিনি হলেন বাংলার চিরায়ত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। বইটির নাম কী? বইটির নাম " পথের দাবী "।
শতরূপ ঘোষ বলেন, “সবটাই শুরু হয়েছিল বিধানসভার ভিতর থেকে। আজ থেকে এক মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, পুজোয় বামেদের বুক স্টল করতে দেবেন না। স্বপন দাশগুপ্ত তো তখন বিধানসভায় বসেছিলেন। তখন উঠে দাঁড়িয়ে কেন প্রতিবাদ করেননি, কেন বিরোধিতা করেননি?”
'মানুষের মরণ আমাকে বড় আঘাত করে না, করে মনুষ্যত্বের মরণ দেখিলে'- শ্রীকান্ত উপন্যাসে লিখেছিলেন শরৎচন্দ্র। একদলের মনুষ্যত্বের মরণ যখন অপর একদল মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়, তখন আর সেটা মরণ থাকেনা, তাকে বলে হত্যা, গণহত্যা।
আত্মঘাতী বাঙালি???
তৃণমূল আর বিজেপি গু এর এপিঠ ওপিঠ।
আগে কংগ্রেস ছিল পরে ৩৫ বছর বাম, কেউ বলতে পারবে পাড়ার পুজোয় কোনও রাজনৈতিক দল দখল করে মাতব্বরি করেছে!!!???
পুজোর দখল নেবে রাজনৈতিক দল, আর দুর্ঘটনা ঘটলে তাঁর দায় নেবে না এটা হতে পারে না।
ভালোবাসার রং লাল retweeted
Kolkata, West Bengal: Following the stampede at the Chorebagan Durga Puja pandal, three political groups are staging separate protests outside Girish Park Police Station. One protest is being led by CPI(M), another by Mamata AITC MLA Kunal Ghosh, while the third is being led by Rahul Pandey and Manas Sarkar, representing the Congress party’s Burrabazar–Central Kolkata district unit
কটা মাতাল, অশিক্ষিত শুয়োরের পাল্লায় রাজ্য।
ওরা নিজেরাও পড়বে না কাউকে পড়তে দেবে না।
তিন লাখ সরকারি স্কুল বন্ধ করেছে মোদী, কারণ পরিস্কার।
লাথি মেরে যাঁরা বাংলার সভ্যতা-সংস্কৃতি নষ্ট করছে তাঁরা শিগগির জবাব পাবে।























